শনির সাড়ে সাতি
আপনার জন্মকালীন চন্দ্রের চারপাশের তিনটি রাশি পার হতে শনির যে সাড়ে সাত বছর লাগে — অতীতের আর ভবিষ্যতের প্রতিটি, আসল তারিখসহ।
এখানে জন্মের সময় প্রায় কোনো ব্যাপারই না, যা কুষ্ঠির কোনো টুলের পক্ষে অস্বাভাবিক। সাড়ে সাতি শুধু আপনার চন্দ্রের রাশির ওপর নির্ভর করে, আর একটি রাশি পার হতে চন্দ্রের প্রায় সোয়া দুই দিন লাগে — তাই এক-দুই ঘণ্টা, এমনকি প্রায় একটা গোটা দিনের অনিশ্চয়তাও উত্তরটা প্রায় কখনো বদলায় না। জন্মের সময় নিয়ে নিশ্চিত না হলে, এই সাইটে এই পাতাটির ওপরই আপনি সবচেয়ে নিশ্চিন্তে ভরসা রাখতে পারেন।
সাড়ে সাতি কী
আপনার জন্মের সময়কার চন্দ্রের চারপাশের তিনটি রাশি — তার আগেরটি, আপনারটি আর তার পরেরটি — পার হতে শনির যে সাড়ে সাত বছর লাগে, সেটাই সাড়ে সাতি। পুরো এক পাক ঘুরতে শনির প্রায় সাড়ে ঊনত্রিশ বছর লাগে, তাই এটা মোটামুটি এক প্রজন্মে একবার ফিরে আসে।
সাড়ে সাতি মানে সাড়ে সাত, নামে এর বেশি কিছু নেই। এটা একটা সময়ের দৈর্ঘ্য বোঝায়, কোনো শাস্তি নয়।
ওপরের তালিকা কীভাবে পড়বেন
আপনার জীবনের প্রতিটি সময়কাল — অতীত আর ভবিষ্যৎ — দেওয়া আছে, আর এখন যে পর্ব চলছে তা চিহ্নিত। তারিখগুলো এফেমেরিস (গ্রহ-অবস্থানের সারণি) থেকে পড়া শনির আসল রাশি-পরিবর্তন, আড়াই বছরের গড় নয় — তাই এগুলো সেই তারিখ যা কোনো পঞ্জিকা ছাপবে।
যেখানে কোনো পর্বের পাশে একটা তারিখের বদলে কিছুটা সময় লেখা আছে, সেখানে ওই সীমানার কাছে শনি বক্রী হয়ে কয়েক মাস ধরে এপার-ওপার করেছে। এটা স্বাভাবিক, আর এই কারণেই দুটি সূত্র একই সাড়ে সাতির আলাদা শুরুর তারিখ দিতে পারে।
মূল তালিকার নিচে শনির ছোট গোচরগুলো আছে — ঢাইয়া, অষ্টম শনি, কণ্টক শনি — যা সাড়ে সাতি থেকে আলাদা আর প্রায়ই তার সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা হয়।
প্রতিটি নামের মানে
লোকে কোথায় ভুল বোঝে
লোকে যা জানতে চায়
এর ওপর ভরসা করার আগে
- এটা কঠিন হবে কিনা জানতে কুষ্ঠি দেখিয়ে নিন। এই পাতা শুধু তারিখ দেয়, আর কিছু নয়। কোনো সাড়ে সাতি কষ্টদায়ক হবে নাকি নিঃশব্দে ফলপ্রসূ, তা নির্ভর করে আপনার কুষ্ঠিতে শনি কোথায়, আপনার জন্য কীসের অধিপতি, আর সঙ্গে কোন দশা চলছে তার ওপর।
- এর বদনামকে সন্দেহের চোখে দেখুন। সাড়ে সাতিকে অনেকে খুব ভয় পান, অথচ বহু মানুষ তাঁদের জীবনের সবচেয়ে মজবুত অংশ এই সময়েই গড়েন। তারিখগুলো তথ্য; ভয়টা নয়।
- এখানে কোনো প্রতিকার নেই, আর কোনো তারিখ থেকে রেহাই পেতে আপনাকে কিছু কিনতে হবে না।